বিভিন্ন খবর, অনুষ্ঠান এর খবর জানতে ভিজিট করুন রাজশাহী অ্যাড খবর এ

রাজশাহীঃ আপনজনের সাথে ঈদ করতে বাড়ি ফিরা মানুষের দুর্ভোগের অন্ত নেই। তবে পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের সেই দুর্ভোগ কমছে এবার। কারণ দুই জোড়া ‘ঈদ স্পেশাল’ ট্রেন চালাবে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে। ইন্দোনেশিয়ান সাদা রেকের কোচগুলো আবারও দেখা যাবে ঢাকা-রাজশাহী ও ঢাকা-পার্বতীপুর রুটে।

এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের চিঠি সোমবার (২১ আগস্ট) পাওয়া গেছে বলে জানান পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের তত্ত্বাবধায়ক জিয়াউল আহসান।

জিয়াউল আহসান বলেন, ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করবে। এজন্য পশ্চিম রেলওয়ে দুই জোড়া ট্রেন বরাদ্দ পেয়েছে। সাদা রেকের ইন্দোনেশিয়ান কোচগুলো ‘ঈদ স্পেশাল’ নামে পশ্চিমের যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাবে। ২ সেপ্টেম্বর ঈদ ধরে আগামী ২৯ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

ঈদের পর ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও সাত দিন রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী এবং ঢাকা-পার্বতীপুর-ঢাকা চলাচল করবে। ২৫ থেকে ২৯ আগস্ট ফিরতি ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি চলবে। একজন যাত্রী চারটি করে আগাম টিকিট কাটতে পারবেন।

ঈদযাত্রীদের ভ্রমণের জন্য অগ্রিম টিকিট রাজশাহী স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিক্রি করা হবে। এছাড়া ঈদুল আযহার পাঁচ দিন আগ থেকে ঈদের পূর্বদিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর সাপ্তাহিক বন্ধের দিনেও চলাচল করবে।

এক প্রশ্নের জবাবে রেল তত্ত্বাবধায়ক জিয়াউল আহসান বলেন, ঈদ স্পেশাল-৩ ট্রেনটি কমলাপুর থেকে রাত ৯টা ২৫ মিনিটে রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। পৌঁছাবে রাত সাড়ে ৩টায়। আর ঈদ স্পেশাল-৪ ট্রেন প্রতিদিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রাজশাহী ছাড়বে। কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছাবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে।

আর লাল-সবুজ রেকের ঢাকা-রাজশাহী রুটের আন্তঃনগর ট্রেন সিল্কসিটি, পদ্মা ও ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেন আগের নিয়মেই চলাচলাল করবে। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে সব প্রস্ততি এরই মধ্যে শেষ হয়েছে বলেও জানান পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক খায়রুল আলম বলেন, যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে রাজশাহী-ঢাকা রুটে নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি এবারও ‘ঈদ স্পেশাল’ ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদুল ফিতরেও ঈদ স্পেশাল ট্রেন ছিল।

এছাড়া রেলভ্রমণ নিরাপদ করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার ছুটি বাতিল করা হয়েছে। যা ব্যবস্থা আছে তা দিয়ে শতভাগ সেবা দেওয়া সম্ভব হবে বলে তার প্রত্যাশা।

আর ট্রেনের সূচিতে যাতে কোনো বিপর্যয় না ঘটে, সেদিকে তারা বাড়তি নজর রাখছেন এবার। টিকিট কালোবাজারি রোধ ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতেও সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান মহাব্যবস্থাপক।

সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর